А¦ёа¦ѕа¦®а¦ѕа¦њ А¦ёа¦®а§ќа¦єа¦°а§ќа¦•ে А¦ёа§‡а¦°а¦ѕ А¦•а¦ѕа¦ёа§ќа¦ёа¦ѕа¦° А¦“а¦їа¦ја¦ѕа¦њ | New Full Waz 2021 | А¦†а¦іа§ќа¦іа¦ѕа¦®а¦ѕ А¦№а¦ѕа¦ёа¦ѕа¦ё А¦ња¦ѕа¦®а¦їа¦і А¦ёа¦ѕа¦№а§‡а¦¬ -

আল্লামা হাসান জামিল সাহেবের এই ওয়াজ আমাদের যান্ত্রিক ইবাদত থেকে বের করে হৃদয়ের ইবাদতে মনোনিবেশ করতে শেখায়। নামায কেবল কপাল মাটিতে ঠেকানোর নাম নয়, বরং আল্লাহর ভয়ে অন্তরকে বিগলিত করা এবং গুনাহ মাফের আকুতি নিয়ে রবের সামনে দাঁড়ানো। তাঁর এই আলোচনাটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, একটি ফোঁটা চোখের পানি দোজখের আগুন নিভিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট, যদি তা হয় নামাযের মধ্যে আল্লাহর মহব্বতে।

আলোচনায় গুরুত্বারোপ করা হয়েছে যে, নামায মুমিনের মেরাজ। একজন মুমিন যখন 'আল্লাহু আকবার' বলে হাত বাঁধে, তখন সে দুনিয়ার সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সরাসরি রবের দরবারে হাজিরা দেয়। হাসান জামিল সাহেব অত্যন্ত দরদ দিয়ে বুঝিয়েছেন যে, নামাযে যখন বান্দা সিজদায় যায়, তখন সে মূলত তার সৃষ্টিকর্তার সবচেয়ে কাছে চলে যায়। এই সান্নিধ্য অনুভবের মুহূর্তটিই একজন মুমিনের জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি।

বক্তা অত্যন্ত কঠোরভাবে এবং দরদমাখা কণ্ঠে বে-নামাযির ভয়াবহ পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তবে হতাশার পরিবর্তে তিনি আশার বাণী শুনিয়েছেন। তিনি শিখিয়েছেন, আজই যদি কেউ অতীতের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হয়ে জায়নামাজে চোখের পানি ফেলে ক্ষমা চায়, তবে পরম দয়ালু আল্লাহ তাকে ফিরিয়ে দেবেন না।

আপনি কি এই প্রবন্ধের কোনো বিশেষ অংশে যোগ করতে চান নাকি এটি ভাষাগত পরিবর্তন করতে হবে? AI responses may include mistakes. Learn more

এটি আল্লামা হাসান জামিল সাহেবের সেই আবেগপূর্ণ ওয়াজ বা আলোচনার ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধের খসড়া:

ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয় এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো নামায বা সালাত। আল্লামা হাসান জামিল সাহেব তাঁর আলোচনায় নামাযকে কেবল একটি শারীরিক কসরত হিসেবে নয়, বরং মহান আল্লাহর সাথে বান্দার এক নিবিড় প্রেমের সেতুবন্ধন হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর "সেরা কান্নার ওয়াজ" হিসেবে পরিচিত এই বয়ানটি আমাদের শিখিয়ে দেয় যে, নামাযে চোখের পানি ঝরানোই হলো প্রকৃত গোলামির চরম সার্থকতা।

এই ওয়াজের মূল আকর্ষণ হলো নামাযের মধ্যে কান্নার গুরুত্ব। খতিব সাহেব উল্লেখ করেছেন, সাহাবায়ে কেরাম ও মহান আল্লাহওয়ালাগণ নামাযে দাঁড়ালে আল্লাহর ভয়ে এবং মহব্বতে এমনভাবে কাঁদতেন যে তাঁদের বুক থরথর করে কাঁপত। আজকের যান্ত্রিক জীবনে আমাদের নামায থেকে সেই প্রাণ বা খুশু-খুযু হারিয়ে গেছে। চোখের পানির মাধ্যমে নামাযকে জীবন্ত করার যে আহ্বান তিনি জানিয়েছেন, তা প্রতিটি মুমিনের অন্তরকে স্পর্শ করে।